ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ার আধুনিক আরবি বিষয়ের প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকারের বিরুদ্ধে চরাঞ্চলের শত শত একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভূমিহীনদের জমি দখল, সরকারি চালের স্লিপ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছেন। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রজীবনে ভিন্ন ধারার রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন রেজাউল করিম। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চরফ্যাশন কলেজে শিক্ষকতা শুরু করলেও ২০১৩ সালে তিনি ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়াতে যোগ দেন। তবে গত কয়েক মাস ধরে কর্মস্থল ছেড়ে তিনি স্থায়ীভাবে এলাকায় অবস্থান করে আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০০১ সালে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর তৎকালীন সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ হয়ে তিনি দলের ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করে পদ বাগিয়ে নেন বলেও স্থানীয়রা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে রেজাউল করিম খন্দকার দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং কোনো প্রকার ভূমি দখল বা অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। অন্যদিকে, মাদরাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকসহ চারজনকে অন্য কলেজে বদলি করা হয়েছে। দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিহীন পরিবারগুলো বর্তমানে তাদের হারানো সম্পদ ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
রিপোর্টারের নাম 
























