ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাও অনুদানভুক্তির সিদ্ধান্ত

সরকারি অনুদানভুক্ত এক হাজার ৫১৯ স্বতন্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার এমপিওভুক্তি অনুমোদনের পর এবার দেশের অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে অনুদানভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ ৪২ দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচির পর এই সিদ্ধান্ত নিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার। এতে অংশ নেন মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা মো. নূরুল হক এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আলোচনা সভায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃত্বে ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠকে অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বর্তমান বাজার দ্রব্যমূল্য অনুযায়ী নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুদানভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দীর্ঘ ৪২ দিন আন্দোলন করে অবশেষে আমরা সফল হয়েছি। এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

গত ১২ অক্টোবর থেকে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোট। আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১০ নভেম্বর অনুদান পাওয়া এক হাজার ৫১৯ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদন দেয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। ওই দিনই প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের অনুমোদন সংক্রান্ত আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘আন্দোলনে অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র মাদ্রাসার শিক্ষকরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সরকার অনুদান পাওয়া ইবতেদায়ি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু অনুদানবীহিন মাদ্রাসাগুলোর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’    

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করলেন না মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাও অনুদানভুক্তির সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি অনুদানভুক্ত এক হাজার ৫১৯ স্বতন্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার এমপিওভুক্তি অনুমোদনের পর এবার দেশের অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে অনুদানভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ ৪২ দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচির পর এই সিদ্ধান্ত নিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার। এতে অংশ নেন মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা মো. নূরুল হক এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আলোচনা সভায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃত্বে ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠকে অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বর্তমান বাজার দ্রব্যমূল্য অনুযায়ী নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুদানভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দীর্ঘ ৪২ দিন আন্দোলন করে অবশেষে আমরা সফল হয়েছি। এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

গত ১২ অক্টোবর থেকে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোট। আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১০ নভেম্বর অনুদান পাওয়া এক হাজার ৫১৯ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদন দেয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। ওই দিনই প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের অনুমোদন সংক্রান্ত আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘আন্দোলনে অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র মাদ্রাসার শিক্ষকরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সরকার অনুদান পাওয়া ইবতেদায়ি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু অনুদানবীহিন মাদ্রাসাগুলোর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’