ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর চার মাস পর তার জানাজা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তার মৃত্যুর পর নিরাপত্তার কারণে এই অনুষ্ঠান দীর্ঘ সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার মরদেহ রাখা হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী দ্রুত দাফনের নিয়ম থাকলেও খামেনির ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ বিলম্ব নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য হামলা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, মরদেহটি বিশেষ শীতলীকরণ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল, যা বিশেষ পরিস্থিতিতে ইসলামি আইনে অনুমোদিত।
তেহরানের জানাজা শেষে খামেনির মরদেহ কোম ও মাশহাদ শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। দেশটির ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় শোক সমাবেশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বীরাও তাদের এই নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এই জানাজাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















