ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

অফিসের গেস্ট হাউসে সপরিবারে বসবাস: রাজশাহী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

রাজশাহী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শরীফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং অফিসের গেস্ট হাউসে স্থায়ীভাবে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সরকারি অফিসের অতিথিশালায় পরিবার নিয়ে থাকছেন। এছাড়া নিয়মিত অফিস না করা এবং বিভিন্ন অজুহাতে কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত এসি, ফ্রিজ ও সিসিটিভি মনিটর ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা। এমনকি তার পরিবারের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলও সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া অনুপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে তাদের ভাতার টাকা আত্মসাতের মতো গুরুতর অনিয়মেও তার জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অফিসের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, উপপরিচালকের এমন কর্মকাণ্ডে কাজের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের জবাবে শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সরকারি বাসা বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সাময়িকভাবে গেস্ট হাউসে থাকছেন। অনিয়মের অন্যান্য অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের মুগা খান মসজিদ: চারশ বছরের পুরনো মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন

অফিসের গেস্ট হাউসে সপরিবারে বসবাস: রাজশাহী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শরীফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং অফিসের গেস্ট হাউসে স্থায়ীভাবে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সরকারি অফিসের অতিথিশালায় পরিবার নিয়ে থাকছেন। এছাড়া নিয়মিত অফিস না করা এবং বিভিন্ন অজুহাতে কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত এসি, ফ্রিজ ও সিসিটিভি মনিটর ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা। এমনকি তার পরিবারের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলও সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া অনুপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে তাদের ভাতার টাকা আত্মসাতের মতো গুরুতর অনিয়মেও তার জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অফিসের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, উপপরিচালকের এমন কর্মকাণ্ডে কাজের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের জবাবে শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সরকারি বাসা বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সাময়িকভাবে গেস্ট হাউসে থাকছেন। অনিয়মের অন্যান্য অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।