ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এইচএসসি পরীক্ষার সুযোগ পেল নাটোরের ৮ শিক্ষার্থী

নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ বিষয় নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়।

বিষয়টি নজরে আসা মাত্র শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণ-শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন রাজশাহী বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযোগে বলা হয়, ওই কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা গ্রহণ করলেও তা যথাযথভাবে জমা দেননি। ফলে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

শিক্ষামন্ত্রী ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী মহোদয় এ সময় সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের সঙ্গেও কথা বলেন।

মন্ত্রীর নির্দেশে, শুক্রবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড দ্রুত তাদের ফরম পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ইতোমধ্যে তাদের ফরম পূরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণ-শিক্ষামন্ত্রী ঘটনাটি জানার পর নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক, লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এরপর পুলিশ দ্রুত সময়ে অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ করেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারার বিষয়ে একটি অভিযোগ মন্ত্রীর কাছে এসেছে। মন্ত্রী এ বিষয়েও টেলিফোন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হ্যারি কেইন: সংকটে গোল, জয়ে নেতৃত্ব

মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এইচএসসি পরীক্ষার সুযোগ পেল নাটোরের ৮ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ বিষয় নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়।

বিষয়টি নজরে আসা মাত্র শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণ-শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন রাজশাহী বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযোগে বলা হয়, ওই কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা গ্রহণ করলেও তা যথাযথভাবে জমা দেননি। ফলে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

শিক্ষামন্ত্রী ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী মহোদয় এ সময় সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের সঙ্গেও কথা বলেন।

মন্ত্রীর নির্দেশে, শুক্রবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড দ্রুত তাদের ফরম পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ইতোমধ্যে তাদের ফরম পূরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণ-শিক্ষামন্ত্রী ঘটনাটি জানার পর নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক, লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এরপর পুলিশ দ্রুত সময়ে অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ করেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারার বিষয়ে একটি অভিযোগ মন্ত্রীর কাছে এসেছে। মন্ত্রী এ বিষয়েও টেলিফোন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।