ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের সিকদারহাট ব্রিজ থেকে ভান্ডারিয়া উপজেলা সীমানা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং রোগীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং ও ঢালাই উঠে মাটি বেরিয়ে পড়েছে এবং বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে কাদা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ সকল প্রকার যানবাহনের চলাচলকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায়ই এই সড়কে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কটির আশেপাশে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাঙাচোরা ও কাদামাখা রাস্তা পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে দিনদিন সড়কের অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিক মাহফুজ গাজী বলেন, ‘সিকদারহাট-ভান্ডারিয়া সড়কটি এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। বছরের পর বছর ধরে সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।’ স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।
চেঁচরীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল জমাদ্দার বলেন, ‘সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা চলছে।’ এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে সিকদারহাট-ভান্ডারিয়া সড়কের সংস্কারকাজ শুরু করা হোক।
রিপোর্টারের নাম 


















