দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না করানোর কারণে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিইবি) আওতাধীন হবিগঞ্জের ১৩টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় দক্ষতামান বেসিক (৩৬০ ঘণ্টা মেয়াদি) কোর্স পরিচালনা করত।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশনে যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে না, সেগুলোর ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতসহ পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। গত ৮ জুন জাতীয় দক্ষতামান বেসিক কোর্স পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পৃথকভাবে নোটিশ পাঠানো হয়।
শুধু হবিগঞ্জ নয়, সারা দেশে একই কারণে জাতীয় দক্ষতামান বেসিক কোর্স পরিচালনাকারী এক হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের আওতায় রয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক মো. আল মাসুদ করিম এ বিষয়ে বলেন, “বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি, ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি ও অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারে।”
হবিগঞ্জের যে ১৩টি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের তালিকায় রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: হবিগঞ্জ টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামকৃষ্ণ মিশন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, জামান টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার, সুফিয়া মতিন টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইব্রাহিম কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, ইউনিয়ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ক্রিয়েটিভ কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, আইডিয়াল কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, গ্লোবাল টেকনিকেল ইনস্টিটিউট, বার্ড টেকনিকেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, প্রচেষ্টা টেকনিকেল ইনস্টিটিউট ও এডলিড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
রিপোর্টারের নাম 






















