ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

আমদানিতে সুদের ঝুঁকি কমাতে ‘ফরওয়ার্ড রেট’ চুক্তির অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আমদানি বাণিজ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হারের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি কমাতে ‘ফরওয়ার্ড রেট’ চুক্তি চালুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে আমদানিকারকরা বায়ার্স ক্রেডিট বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় বিদেশি মুদ্রা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুদের হারের অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা পাবেন। মূলত আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক রেট ‘সোফর’ (SOFR)-এর অস্থিতিশীলতা থেকে দেশের ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো এখন থেকে আমদানিকারকদের সঙ্গে এই চুক্তি করতে পারবে। তবে এটি কোনোভাবেই ফটকামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না; অবশ্যই প্রকৃত আমদানির বিপরীতে হতে হবে। চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১০ বেসিস পয়েন্ট মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে এবং এর পরিমাণ ব্যাংকের গত এক বছরের গড় বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ব্যবস্থা আমদানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ আগেভাগেই নির্ধারণ করতে সহায়তা করবে এবং দেশের আর্থিক বাজারে ডেরিভেটিভস পণ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ব্যাংকগুলোকে এই লেনদেনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কার্যকর অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে সেনা অভিযানে সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস

আমদানিতে সুদের ঝুঁকি কমাতে ‘ফরওয়ার্ড রেট’ চুক্তির অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট সময় : ০১:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আমদানি বাণিজ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হারের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি কমাতে ‘ফরওয়ার্ড রেট’ চুক্তি চালুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে আমদানিকারকরা বায়ার্স ক্রেডিট বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় বিদেশি মুদ্রা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুদের হারের অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা পাবেন। মূলত আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক রেট ‘সোফর’ (SOFR)-এর অস্থিতিশীলতা থেকে দেশের ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো এখন থেকে আমদানিকারকদের সঙ্গে এই চুক্তি করতে পারবে। তবে এটি কোনোভাবেই ফটকামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না; অবশ্যই প্রকৃত আমদানির বিপরীতে হতে হবে। চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১০ বেসিস পয়েন্ট মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে এবং এর পরিমাণ ব্যাংকের গত এক বছরের গড় বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ব্যবস্থা আমদানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ আগেভাগেই নির্ধারণ করতে সহায়তা করবে এবং দেশের আর্থিক বাজারে ডেরিভেটিভস পণ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ব্যাংকগুলোকে এই লেনদেনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কার্যকর অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।