ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

আফগানিস্তানে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, অনুভূত হলো মধ্যরাতে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানে মাঝারি মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। বুধবার দিবাগত রাতে দেশটির হিন্দু কুশ অঞ্চলে এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয় বলে নিশ্চিত করেছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)। সংস্থাটির তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭৩ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আফগানিস্তান অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। এছাড়া দেশটির হেরাত অঞ্চলসহ বেশ কিছু অংশের ওপর দিয়ে বড় ধরনের ফল্ট লাইন বা চ্যুতিরেখা চলে গেছে।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়কারী কার্যালয়ের (ইউএনওসিএইচএ) মতে, দীর্ঘদিনের সংঘাত এবং সীমিত উন্নয়নের ফলে আফগানিস্তানের বাসিন্দারা ইতোমধ্যে নানা সংকটে জর্জরিত। এর মধ্যে বারবার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের জীবনযাত্রাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও নাজুক করে তুলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন

আফগানিস্তানে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, অনুভূত হলো মধ্যরাতে

আপডেট সময় : ১০:২৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আফগানিস্তানে মাঝারি মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। বুধবার দিবাগত রাতে দেশটির হিন্দু কুশ অঞ্চলে এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয় বলে নিশ্চিত করেছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)। সংস্থাটির তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭৩ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আফগানিস্তান অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। এছাড়া দেশটির হেরাত অঞ্চলসহ বেশ কিছু অংশের ওপর দিয়ে বড় ধরনের ফল্ট লাইন বা চ্যুতিরেখা চলে গেছে।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়কারী কার্যালয়ের (ইউএনওসিএইচএ) মতে, দীর্ঘদিনের সংঘাত এবং সীমিত উন্নয়নের ফলে আফগানিস্তানের বাসিন্দারা ইতোমধ্যে নানা সংকটে জর্জরিত। এর মধ্যে বারবার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের জীবনযাত্রাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও নাজুক করে তুলছে।