বিশ্বকাপের সহ-স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েই নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। ‘ডি’ গ্রুপের সেরা দল হিসেবে তারা এখন শেষ ষোলোর স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্যায়ে তৃতীয় সেরা দল হিসেবে শেষ বত্রিশে খেলছে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। আগামীকাল সকালে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দল দুটি।
এই ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকেই ফেভারিট ধরা হচ্ছে। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে; প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে এবং অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। এবার শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্র যদি জায়গা করে নেয়, তাতে বিস্ময়ের কিছু থাকবে না। ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে দলটি তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল। ২০০২ সালে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে। এরপর আরও পাঁচটি বিশ্বকাপ আসরে শেষ ষোলোতে ওঠার রেকর্ড আছে তাদের। এবারও একই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে, ২০১৪ সালের পর আবারও বিশ্বকাপে ফিরে ইতিহাস গড়েছে বসনিয়া। ১৯৩০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তারা যুগোস্লাভিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করত। এরপর আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে ২০১৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলে বসনিয়া, সেবার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় দলটি। এবার ফিরে নকআউট পর্বে ওঠার সাফল্য অর্জন করেছে তারা। সেই সাফল্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সেরাটা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবে বসনিয়া। তারা জানে, ম্যাচটি তাদের জন্য সহজ হবে না। তবে কঠিন পরীক্ষা দিয়েই ইতিহাস গড়তে হয়, আর সেদিকেই এখন চোখ বসনিয়ার।
রিপোর্টারের নাম 






















