ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মুরাদনগরে ১৬৮ বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

কুমিল্লার মুরাদনগরে ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি বর্তমানে চরম শিক্ষক ও জনবল সংকটে ধুঁকছে। দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসা এই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান এবং কমছে শিক্ষার মান, যা নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ছাড়াও ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং আইসিটি বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। গণিত, ইংরেজি ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মাত্র একজন করে শিক্ষক দিয়ে দায়সারাভাবে ক্লাস চালানো হচ্ছে। শুধু শিক্ষক নয়, অফিস সহকারী, পিয়ন ও নৈশপ্রহরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও খালি। এতে প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।

শিক্ষক ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। জেলা শিক্ষা অফিসারও সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ না দিলে এই প্রাচীন বিদ্যাপীঠের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ম্লান হয়ে যাবে এবং শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে আল্টিমেটাম: ৫ আগস্টের মধ্যে না খুললে জনগণই খুলে দেবে

মুরাদনগরে ১৬৮ বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগরে ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি বর্তমানে চরম শিক্ষক ও জনবল সংকটে ধুঁকছে। দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসা এই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান এবং কমছে শিক্ষার মান, যা নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ছাড়াও ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং আইসিটি বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। গণিত, ইংরেজি ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মাত্র একজন করে শিক্ষক দিয়ে দায়সারাভাবে ক্লাস চালানো হচ্ছে। শুধু শিক্ষক নয়, অফিস সহকারী, পিয়ন ও নৈশপ্রহরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও খালি। এতে প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।

শিক্ষক ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। জেলা শিক্ষা অফিসারও সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ না দিলে এই প্রাচীন বিদ্যাপীঠের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ম্লান হয়ে যাবে এবং শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে।