ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জে ফিনলে চা-বাগানের বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রামপুর এলাকার এক নিরীহ বাসিন্দার সঙ্গে ফিনলে চা-বাগানের সীমানা বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। চা-বাগান কর্তৃপক্ষ বারবার সীমানা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করছে এবং ভূমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ৩০ জুন জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বাহুবল সদর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার মালিকানাধীন জমিটি ফিনলে কোম্পানির রামপুর চা-বাগানের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। চা-বাগান একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় নিরীহ নাগরিক হিসেবে তিনি কোনো প্রতিকার করতে পারছেন না এবং চরম হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভবিষ্যতে যাতে কোনো প্রকার বিরোধ বা সংঘাত সৃষ্টি না হয়, সেজন্য রফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সার্ভেয়ার কর্তৃক সরেজমিনে তদন্তপূর্বক তার মালিকানাধীন ভূমির প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফিনলে চা-বাগানের আওতাধীন রামপুর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ ব্যক্তি মালিকানাধীন কারো ভূমি দখল করেনি। জনৈক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সীমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চা-বাগান অধ্যুষিত বাহুবলের স্থানীয়দের ভূমি নিয়ে চা-বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের অভিযোগ নতুন নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে যৌথ টোল আরোপের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান

হবিগঞ্জে ফিনলে চা-বাগানের বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রামপুর এলাকার এক নিরীহ বাসিন্দার সঙ্গে ফিনলে চা-বাগানের সীমানা বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। চা-বাগান কর্তৃপক্ষ বারবার সীমানা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করছে এবং ভূমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ৩০ জুন জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বাহুবল সদর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার মালিকানাধীন জমিটি ফিনলে কোম্পানির রামপুর চা-বাগানের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। চা-বাগান একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় নিরীহ নাগরিক হিসেবে তিনি কোনো প্রতিকার করতে পারছেন না এবং চরম হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভবিষ্যতে যাতে কোনো প্রকার বিরোধ বা সংঘাত সৃষ্টি না হয়, সেজন্য রফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সার্ভেয়ার কর্তৃক সরেজমিনে তদন্তপূর্বক তার মালিকানাধীন ভূমির প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফিনলে চা-বাগানের আওতাধীন রামপুর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ ব্যক্তি মালিকানাধীন কারো ভূমি দখল করেনি। জনৈক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সীমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চা-বাগান অধ্যুষিত বাহুবলের স্থানীয়দের ভূমি নিয়ে চা-বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের অভিযোগ নতুন নয়।