চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালানের চিত্র বদলে যাচ্ছে। এক সময় স্বর্ণের বার পাচারের আধিক্য থাকলেও এখন সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে বিদেশি সিগারেট। কাস্টমস গোয়েন্দাদের মতে, স্বর্ণের তুলনায় সিগারেটে লাভের পরিমাণ অনেক বেশি এবং ধরা পড়লে আইনি জটিলতা বা শাস্তির ঝুঁকি তুলনামূলক কম হওয়ায় পাচারকারীরা এই পথ বেছে নিচ্ছে।
তথ্যমতে, প্রতি শলাকা বিদেশি সিগারেটে উচ্চ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচারকারীরা প্রায় ১৭ টাকা পর্যন্ত মুনাফা করছে। বিশেষ করে দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফ্লাইটগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। সিগারেট ছাড়াও কসমেটিকস, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের মতো উচ্চ শুল্কের পণ্য অবৈধভাবে আনার চেষ্টা বাড়ছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের চালান জব্দ করা হয়েছে। চোরাকারবারিরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। শুল্ক ফাঁকি রোধে তল্লাশি ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
রিপোর্টারের নাম 
























