ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে এবং আদায় অযোগ্য ঋণের বোঝা কমাতে বড় ধরনের নীতিগত ছাড় ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে খেলাপি গ্রাহকরা এককালীন অর্থ পরিশোধের শর্তে বিশেষ ‘এক্সিট’ সুবিধা পাবেন। এ ক্ষেত্রে আগের কঠোর নিয়মনীতি শিথিল করে ঋণের ওপর আরোপিত ও অনারোপিত সুদ মওকুফের পথ আরও সহজ করা হয়েছে।
সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়, দেশের উৎপাদনশীল খাতে ঋণের প্রবাহ সচল রাখা এবং ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে খেলাপি ঋণের উচ্চ হারের কারণে ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনা এবং নতুন বিনিয়োগ ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যারা অনিচ্ছাকৃতভাবে আর্থিক সংকটে পড়েছেন কিন্তু ঋণ পরিশোধে আগ্রহী, মূলত তাদের জন্যই এই বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব ঋণ ‘মন্দ’ বা ‘ক্ষতিজনক’ মানে শ্রেণিকৃত হয়েছে, তারা এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন আবশ্যক। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের ব্যাংকই এখন থেকে গ্রাহক-ব্যাংকার সম্পর্কের ভিত্তিতে সুদ মওকুফ করে এই এক্সিট সুবিধা দিতে পারবে। এই উদ্যোগের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রিপোর্টারের নাম 























