ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮ হাজার ৪৮৬ শিক্ষকের পদ শূন্য, নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান

দেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকটের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে মোট আট হাজার ৪৮৬টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক। তিনি জানান, এই শূন্যতা পূরণে ইতোমধ্যে ২ হাজার ২০৪টি পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত ৪৪৬ জন শিক্ষককে পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষাকে সাধারণ ধারার শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় করতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন পাঠ্যপুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বর্তমানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ১৫ হাজার ৮৪৪টি পদের বিপরীতে মাত্র সাত হাজার ৭৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। পদোন্নতিযোগ্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় ৪ হাজার ১৩১টি পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজ ও সেলফি: সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮ হাজার ৪৮৬ শিক্ষকের পদ শূন্য, নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান

আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

দেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকটের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে মোট আট হাজার ৪৮৬টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক। তিনি জানান, এই শূন্যতা পূরণে ইতোমধ্যে ২ হাজার ২০৪টি পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত ৪৪৬ জন শিক্ষককে পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষাকে সাধারণ ধারার শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় করতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন পাঠ্যপুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বর্তমানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ১৫ হাজার ৮৪৪টি পদের বিপরীতে মাত্র সাত হাজার ৭৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। পদোন্নতিযোগ্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় ৪ হাজার ১৩১টি পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।