সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা গণিতে বেশ দুর্বল ছিল। মাদ্রাসায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিলেও বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়নি। মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে দেশের প্রায় ৬০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, যা পূরণে আগামী জুলাই মাস থেকে বড় পরিসরে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
রোববার সিলেট শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য দেন। পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এবার সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। এছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে সাইবার আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বিদ্যমান মামলার জট কমিয়ে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় আটকে থাকা প্রায় ২৫ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি আদালতের রায়ের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিয়মিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্ব শুধু পরীক্ষা গ্রহণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















