প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। এই সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দুদেশের মধ্যে ‘অভিন্ন ভবিষ্যৎ সম্প্রদায়’ গঠনের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যা কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্তর হিসেবে গণ্য হয়। চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি পূর্ণ রাজনৈতিক সমর্থন এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের সহযোগিতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
সফরকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাইওয়ান ইস্যুতে বাংলাদেশের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, শি জিনপিং স্পষ্ট করেছেন যে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন সব সময় পাশে থাকবে। এই সফরকে অত্যন্ত সফল হিসেবে বর্ণনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক মহলে এক মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে আসীন এবং এই সফর সেই আস্থারই প্রতিফলন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো সাহায্যের আবেদন নিয়ে নয়, বরং দুদেশের সম্পর্ককে কৌশলগত উচ্চতায় নিয়ে যেতে বেইজিং সফর করেছেন। সফরের শেষে প্রকাশিত ১৫ দফার যৌথ ঘোষণাপত্রে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে স্থান পেয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 






















