ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

২১ বছর পর নিখোঁজ সন্তানের সন্ধান: মালয়েশিয়ার কারাগারে বন্দি বাগেরহাটের রতন

সচ্ছলতার আশায় দীর্ঘ ২১ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রতন মৃধা। কিন্তু প্রায় এক দশক আগে পরিবারের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় কোনো খবর না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ধরে নিয়েছিলেন রতন হয়তো আর বেঁচে নেই। অবশেষে দুই যুগ পর জানা গেল, রতন বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি কারাগারে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

রতনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সংসারের অভাব দূর করতে পরিবারের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে বৈধভাবেই বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে সব ঠিকঠাক থাকলেও ১০ বছর আগে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ছেলের ফেরার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একসময় না ফেরার দেশে চলে যান বাবা নারায়ণ চন্দ্র মৃধা। সম্প্রতি রতনের ছোট ভাই লিটন মৃধা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেখে তার ভাইয়ের বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রতনের বৃদ্ধ মা পুষ্প রানী ও স্বজনদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী হাসান জানিয়েছেন, রতন মৃধাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আশায় এখন বুক বাঁধছে পরিবারটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি আইসিটি: দ্বিতীয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

২১ বছর পর নিখোঁজ সন্তানের সন্ধান: মালয়েশিয়ার কারাগারে বন্দি বাগেরহাটের রতন

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সচ্ছলতার আশায় দীর্ঘ ২১ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রতন মৃধা। কিন্তু প্রায় এক দশক আগে পরিবারের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় কোনো খবর না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ধরে নিয়েছিলেন রতন হয়তো আর বেঁচে নেই। অবশেষে দুই যুগ পর জানা গেল, রতন বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি কারাগারে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

রতনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সংসারের অভাব দূর করতে পরিবারের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে বৈধভাবেই বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে সব ঠিকঠাক থাকলেও ১০ বছর আগে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ছেলের ফেরার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একসময় না ফেরার দেশে চলে যান বাবা নারায়ণ চন্দ্র মৃধা। সম্প্রতি রতনের ছোট ভাই লিটন মৃধা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেখে তার ভাইয়ের বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রতনের বৃদ্ধ মা পুষ্প রানী ও স্বজনদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী হাসান জানিয়েছেন, রতন মৃধাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আশায় এখন বুক বাঁধছে পরিবারটি।