ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

একযোগে ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত ইরানের


মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাতে ইরানের সিরিক শহর এবং কেশম দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। খবর প্রেস টিভির।এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আইআরজিসি নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে এ অভিযান পরিচালনা করে। এতে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরসহ আটটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে’ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।আইআরজিসি দাবি করেছে, অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। স্থাপনাগুলোতে হামলা সফল হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরানের এই সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর আগে দিনটির শুরুতে শত্রুপক্ষ ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে মার্কিন হামলা চালানোর পরই এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আইআরজিসি’র ভাষায়, ‘(যুক্তরাষ্ট্রের) স্বভাবই হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চুক্তি লঙ্ঘন করা। তারা ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তারা এ হামলাকে হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপের জবাব হিসেবে দাবি করেছে।’

বিবৃতিতে যোগ করা হয়, সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক নৌযানের তদারকির দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ‘এখন থেকে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনও নৌযানের বিরুদ্ধে আগের তুলনায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শত্রুপক্ষ ভবিষ্যতে যেকোনও অজুহাতে নতুন করে আগ্রাসন চালালে তার জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী।’

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশি সমর্থকরা যেন এক অর্থে আর্জেন্টাইন’: বিশ্বকাপে আপ্লুত মার্টিনেজ

একযোগে ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত ইরানের

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাতে ইরানের সিরিক শহর এবং কেশম দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। খবর প্রেস টিভির।এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আইআরজিসি নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে এ অভিযান পরিচালনা করে। এতে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরসহ আটটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে’ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।আইআরজিসি দাবি করেছে, অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। স্থাপনাগুলোতে হামলা সফল হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরানের এই সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর আগে দিনটির শুরুতে শত্রুপক্ষ ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে মার্কিন হামলা চালানোর পরই এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আইআরজিসি’র ভাষায়, ‘(যুক্তরাষ্ট্রের) স্বভাবই হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চুক্তি লঙ্ঘন করা। তারা ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তারা এ হামলাকে হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপের জবাব হিসেবে দাবি করেছে।’

বিবৃতিতে যোগ করা হয়, সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক নৌযানের তদারকির দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ‘এখন থেকে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনও নৌযানের বিরুদ্ধে আগের তুলনায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শত্রুপক্ষ ভবিষ্যতে যেকোনও অজুহাতে নতুন করে আগ্রাসন চালালে তার জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী।’