ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

দেশজুড়ে ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে, মজুত পর্যাপ্ত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। রোববার সকালে রাজধানীর আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পেইন চলাকালীন কোনো শিশু যদি নির্ধারিত কেন্দ্রে ক্যাপসুল খেতে না পারে, তবে পরবর্তী দিন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে তা খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।

এবারের ক্যাম্পেইনে সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হচ্ছে। শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব রোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি আইসিটি: দ্বিতীয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

দেশজুড়ে ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে, মজুত পর্যাপ্ত

আপডেট সময় : ১১:২০:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। রোববার সকালে রাজধানীর আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পেইন চলাকালীন কোনো শিশু যদি নির্ধারিত কেন্দ্রে ক্যাপসুল খেতে না পারে, তবে পরবর্তী দিন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে তা খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।

এবারের ক্যাম্পেইনে সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হচ্ছে। শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব রোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।