ভারতের অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া দানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার অযোধ্যার স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন লভকুশ মিশ্র, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, মনীশ যাদব, রামশংকর যাদব ওরফে তিন্নু, সুভাষ চন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং করুণেশ পান্ডে। তাদের মধ্যে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও রয়েছেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা মন্দিরে ভক্তদের দান করা নগদ টাকা এবং মূল্যবান জিনিসপত্র গণনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং অভিযোগ উঠেছে যে তারা দানবাক্স থেকে সংগ্রহ করা অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
তবে উত্তর প্রদেশের বিরোধী দলগুলো এই এফআইআর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই, ট্রাস্টের সদস্য ড. অনিল মিশ্র বা মন্দির নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ইনচার্জ গোপাল রাওয়ের মতো বড় ব্যক্তিদের ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রক্ষা করছে বা আড়াল করছে।
এফআইআর-এর বিষয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দেওরিয়ায় এক জনসভায় বলেন, সরকার বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) রিপোর্টের ভিত্তিতে কাজ করছে। তিনি বলেন, “অযোধ্যা আমাদের সবার বিশ্বাসের প্রতীক, শ্রী রাম যে মর্যাদা বা শৃঙ্খলা মেনে চলতেন তা অনুসরণ করতে শিখুন। আমি বলেছিলাম এসআইটি রিপোর্ট আসার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসআইটি রিপোর্ট এসেছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।”
বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “যারা আজ আপত্তি তুলছেন, তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এরা তারাই যারা ভগবান রামকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তারা বলত রামের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই লোকেরা অযোধ্যাকে অস্বীকার করে আসছিল। এরা সেই একই লোক যারা শ্রী রামের ওপর গুলি চালিয়েছিল, এখন আপনারা আমাদের বিশ্বাসের কথা বলবেন?”
উত্তর প্রদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দলের প্রাথমিক তদন্তের পর গত ২৬ জুন শুক্রবার এই এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 























