ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

হেফাজতে নির্যাতন বন্ধের জোর দাবি: ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দমন-পীড়ন অগ্রহণযোগ্য’

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের কোনো স্থান নেই, অবিলম্বে হেফাজতে নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। পুলিশকে নির্মমতা পরিহার করে মানবিক ও আইনসম্মত আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিরোধী মত দমনে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে যে নির্যাতনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল, সেই মানসিকতা থেকে এখনো পুরোপুরি বের হওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বক্তারা ২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে হেফাজতে নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়। মানবাধিকার কর্মী ওচমান জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে এবং মুজিবুল্লাহ তুষারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অ্যাডভোকেট মুস্তাফা নূর, শিক্ষক এন এম তালুকদার, মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মো. মোমেন, ইমরান সোহেল, শাহজালাল ও মীর বরকত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটির রাজস্থলীতে চীনা জামাই: প্রথমবার শ্বশুরবাড়িতে শি লা

হেফাজতে নির্যাতন বন্ধের জোর দাবি: ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দমন-পীড়ন অগ্রহণযোগ্য’

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের কোনো স্থান নেই, অবিলম্বে হেফাজতে নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। পুলিশকে নির্মমতা পরিহার করে মানবিক ও আইনসম্মত আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিরোধী মত দমনে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে যে নির্যাতনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল, সেই মানসিকতা থেকে এখনো পুরোপুরি বের হওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বক্তারা ২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে হেফাজতে নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়। মানবাধিকার কর্মী ওচমান জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে এবং মুজিবুল্লাহ তুষারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অ্যাডভোকেট মুস্তাফা নূর, শিক্ষক এন এম তালুকদার, মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মো. মোমেন, ইমরান সোহেল, শাহজালাল ও মীর বরকত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।