ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাহাড়ি ঢলে বকশীগঞ্জে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত: কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পলাশতলা বাক্কার মোড় এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে একটি বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এলাকার কৃষকরা আউশ ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এর ফলে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করে আশপাশের কৃষিজমি জলাবদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক মাস আগে ভারী বৃষ্টিতে বাঁধটির একটি অংশ ভেঙে গিয়েছিল এবং তখন বোরো ধানেরও ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভাঙা বাঁধ মেরামতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, ফলে বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় কৃষক এরশাদ মিয়া জানান, প্রায় এক মাস আগে বাঁধ ভাঙার পর অনেক বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এখন আবার পানি প্রবেশ করায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আউশ ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হবে। কৃষকরা আরও জানান, ভাঙা বাঁধ দ্রুত সংস্কার করা না হলে কয়েকশ একর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে, যা চলতি মৌসুমে কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত বাঁধ মেরামত করে কৃষিজমি ও ফসল রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীর সাত খাল পুনঃখননে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ: শ্রমিক বঞ্চিত, সরকারি অর্থ লোপাটের শঙ্কা

পাহাড়ি ঢলে বকশীগঞ্জে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত: কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৫:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পলাশতলা বাক্কার মোড় এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে একটি বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এলাকার কৃষকরা আউশ ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এর ফলে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করে আশপাশের কৃষিজমি জলাবদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক মাস আগে ভারী বৃষ্টিতে বাঁধটির একটি অংশ ভেঙে গিয়েছিল এবং তখন বোরো ধানেরও ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভাঙা বাঁধ মেরামতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, ফলে বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় কৃষক এরশাদ মিয়া জানান, প্রায় এক মাস আগে বাঁধ ভাঙার পর অনেক বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এখন আবার পানি প্রবেশ করায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আউশ ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হবে। কৃষকরা আরও জানান, ভাঙা বাঁধ দ্রুত সংস্কার করা না হলে কয়েকশ একর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে, যা চলতি মৌসুমে কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত বাঁধ মেরামত করে কৃষিজমি ও ফসল রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।