ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, লালমনিরহাটে বন্যার আশঙ্কা

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়ার পর লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে। এতে যেকোনো সময় ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট জানান, শনিবার সকাল ৬টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারত থেকে প্রবল গতিতে পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার এবং হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার ওপর দিয়ে তিস্তা নদী প্রবাহিত হওয়ায় সামান্য পানি বাড়লেই জেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

গড্ডিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা মোবারক আলী জানিয়েছেন, উজান থেকে প্রচুর পানি আসছে এবং যেকোনো সময় নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে পারে। তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকতে বলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলকে লেবাননের মাটি থেকে বিতাড়িত করার অঙ্গীকার হিজবুল্লাহর

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, লালমনিরহাটে বন্যার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:৩৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়ার পর লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে। এতে যেকোনো সময় ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট জানান, শনিবার সকাল ৬টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারত থেকে প্রবল গতিতে পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার এবং হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার ওপর দিয়ে তিস্তা নদী প্রবাহিত হওয়ায় সামান্য পানি বাড়লেই জেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

গড্ডিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা মোবারক আলী জানিয়েছেন, উজান থেকে প্রচুর পানি আসছে এবং যেকোনো সময় নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে পারে। তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকতে বলেছে।