ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানালেও এর সফল বাস্তবায়নকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংগঠনটি মনে করে, বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইবিএফবি তাদের এই মতামত ব্যক্ত করে। সংগঠনের সভাপতি লুৎফুন্নিসা সাউদিয়া খান লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিগত দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ৮৭ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য খাতে প্রায় দ্বিগুণ করে ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি জনসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া, আগামী পাঁচ বছরের ব্যক্তিশ্রেণির কর কাঠামো একসঙ্গে ঘোষণা, বৈদ্যুতিক যানবাহনে দীর্ঘমেয়াদি শুল্ক রেয়াত এবং ক্রিয়েটিভ ও স্পোর্টস ইকোনমিকে অর্থনীতির মূলধারায় আনার উদ্যোগকে দূরদর্শী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
বাজেটে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, এসএমই উন্নয়ন, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর ছাড়ের উদ্যোগ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে বলে জানান লুৎফুন্নিসা সাউদিয়া খান। তবে, তিনি উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা, মূল্যস্ফীতির চাপ, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।
আইবিএফবির পক্ষ থেকে কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার, ব্যবসা সহজীকরণ, এসএমই অর্থায়ন সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য সুপারিশ করা হয়। সংগঠনের সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 























