যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারককে কোনো নতিস্বীকার নয়, বরং নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব। যদিও দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির কারণে এই দাবি সর্বজনগ্রাহ্য করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের একটি কট্টরপন্থী অংশ ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো ধরনের আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই চুক্তিকে দেশের সমৃদ্ধির পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। তবে দেশটির ভেতরে এই চুক্তি নিয়ে এখনো নানা বিতর্ক ও রাজনৈতিক বিভাজন বিদ্যমান রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















