ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া: সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ

জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন জুন মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পাননি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, টাকার অভাবে একজন শিক্ষক তার মায়ের চিকিৎসা করাতে পারছেন না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি, ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (২য় সংশোধিত) (প্রস্তাবিত ৩য় সংশোধন)’ প্রকল্পটি ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা প্রদানের সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৭ সালে প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে প্রকল্পটি ইএফটি কার্যক্রম বাদ দিয়ে অনুমোদন করায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

গত ৯ জুন একনেকে সংশোধনী অনুমোদনের ফলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। পূর্বে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আটটি বিভাগে আটটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় ইএফটি-এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য সকল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে বিলম্ব হচ্ছিল। তবে, নতুন অনুমোদনের ফলে এই বিলম্ব আর হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছি: প্রধানমন্ত্রী

মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া: সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:৩৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন জুন মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পাননি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, টাকার অভাবে একজন শিক্ষক তার মায়ের চিকিৎসা করাতে পারছেন না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি, ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (২য় সংশোধিত) (প্রস্তাবিত ৩য় সংশোধন)’ প্রকল্পটি ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা প্রদানের সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৭ সালে প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে প্রকল্পটি ইএফটি কার্যক্রম বাদ দিয়ে অনুমোদন করায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

গত ৯ জুন একনেকে সংশোধনী অনুমোদনের ফলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। পূর্বে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আটটি বিভাগে আটটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় ইএফটি-এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য সকল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে বিলম্ব হচ্ছিল। তবে, নতুন অনুমোদনের ফলে এই বিলম্ব আর হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।