আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমকে কোটামুক্ত করে এটিকে জাতীয় চরিত্র দেওয়ার ব্যাপারে তারা আগ্রহী। এই লক্ষ্যে তাদের সংগঠনের নাম ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল’ (এনইসি) রাখা হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরের সম্পাদকরাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল’ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ১৬ জুন বাকশালী শাসনে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এনইসির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদারের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের ইতিহাস, যা সংবাদপত্র দমনের সঙ্গে জড়িত। স্বাধীনতার পর থেকেই এটি দেখা গেছে এবং ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের যে কালো দিবস, তাও এই প্রেক্ষাপটেই। তাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে মানুষের অধিকার ছিন্ন করার ইতিহাস স্বাধীনতার পরবর্তীকাল থেকেই চলছে।
তিনি ২০১৭ সালে শেখ রেহানার কন্যা ও ইংল্যান্ডের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সম্পর্কে একটি মন্তব্য করায় নিজের নামে ৩৫টি মামলা হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে গণমাধ্যম বা মিডিয়ার প্রতি অসহিষ্ণুতা শেখ পরিবারের জিনের মধ্যেই রয়েছে। কারণ, শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছিলেন, তার কন্যা শেখ হাসিনা সংবাদপত্র নিয়ে কী করেছেন তা সবার জানা। এমনকি টিউলিপও লন্ডনের একটি পত্রিকার সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। এই মন্তব্যের জেরে তার বিরুদ্ধে আগের ১০০টির সঙ্গে নতুন ৩৫টি মামলা হয়েছিল। এমন একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়েই কুষ্টিয়ায় তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এই সেমিনার আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, তারা এই ধরনের রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তন চান এবং এই পরিবর্তন আনতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 























