অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো প্রকার দলীয় প্রভাব বা দলীয় লোকের সম্পৃক্ততা থাকবে না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান, এই কার্ডের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।
অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ যেন কোনোভাবেই পরিবারের পুরুষ সদস্যের কাছে না যায়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো দেশের দরিদ্র পরিবারের জীবনযাপনের মানোন্নয়ন।
সভায় ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং তা থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে উত্তরণ ঘটানোকে বাজেটের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এবারের বাজেটের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে। সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও, ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) গাইডলাইন-২০২৬’ চূড়ান্তকরণ এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন লাভ করে। সভায় সমাজকল্যাণমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 






















