নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করেছে। ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন, মরক্কোর অসাধারণ ফুটবল নৈপুণ্য মুগ্ধ করেছে ফুটবলপ্রেমীদের। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জাদুকরী পারফরম্যান্স না থাকলে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হতো।
ম্যাচটি ড্র হলেও, পারফরম্যান্সের বিচারে মরক্কোকে এগিয়ে রেখেছেন অনেকেই। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে তাদের সেমিফাইনালে খেলা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি তাদের বিশ্ব ফুটবলে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরির ইঙ্গিত দেয়। এবারের বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স আবারো প্রমাণ করেছে যে তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।
ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রথম ২০ মিনিটে মরক্কো মাঠের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার করে, তাদের হাই প্রেসিং, দ্রুত পাস এবং বিদ্যুৎগতির ট্রানজিশন ব্রাজিলকে দিশেহারা করে তোলে। ১৪ মিনিটে ব্রাজিল একটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়।
মাত্র সাত মিনিট পরেই মরক্কো গোল করে এগিয়ে যায়। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত থ্রু পাসে ইসমাইল সাইবারি গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসা অ্যালিসনকে পরাস্ত করে অসাধারণ এক চিপ শটে বল জালে জড়ান। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দলের বিপক্ষে মরক্কোর প্রথম গোল।
গোল করার পরও মরক্কো আক্রমণের ধারা বজায় রাখে। প্রথম ৩০ মিনিটে তারা ১২টি শট নিয়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে। মাঝমাঠে কাসেমিরোকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেয় মরক্কোর মিডফিল্ড। কোচ কার্লো আনচেলত্তি বিরতির আগেই কাসেমিরোকে তুলে নিতে বাধ্য হন। তবে চাপ সত্ত্বেও ব্রাজিল ভেঙে পড়েনি।
রিপোর্টারের নাম 

























