ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক চুক্তি: নেতানিয়াহুর প্রভাব ও চুক্তির ভবিষ্যৎ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যেকার আন্তর্জাতিক চুক্তিটির ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন তার উপর। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হামদি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সামি হামদি উল্লেখ করেন যে, পূর্বের একটি যুদ্ধবিরতির সময় ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করলেও লেবাননের উপর তাদের হামলা জোরদার করেছিল। সেসময় পাকিস্তান যখন লেবাননকে যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার জন্য চাপ দেয়, তখন ট্রাম্প চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করে লেবাননকে বাদ দিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল। এবারও ট্রাম্প একই ধরনের পদক্ষেপ নেবেন কিনা, তা নিয়েই মূল উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হামদি আরও জানান, ইসরাইলিরা তেহরানের সাথে এই ধরনের চুক্তির ঘোর বিরোধী। এমনকি এই চুক্তিকে ব্যর্থ করতে নেতানিয়াহু সরকার সোমবার লেবাননে একটি হামলাও চালিয়েছে। তার আশঙ্কা, ট্রাম্প এবারও চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করে ইসরাইলকে লেবাননে আক্রমণ থেকে বিরত রাখলেও, দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুরো চুক্তিটিই ঝুঁকির মুখে পড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিরোধ’, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক জামায়াত আমিরের

আন্তর্জাতিক চুক্তি: নেতানিয়াহুর প্রভাব ও চুক্তির ভবিষ্যৎ

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যেকার আন্তর্জাতিক চুক্তিটির ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন তার উপর। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হামদি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সামি হামদি উল্লেখ করেন যে, পূর্বের একটি যুদ্ধবিরতির সময় ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করলেও লেবাননের উপর তাদের হামলা জোরদার করেছিল। সেসময় পাকিস্তান যখন লেবাননকে যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার জন্য চাপ দেয়, তখন ট্রাম্প চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করে লেবাননকে বাদ দিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল। এবারও ট্রাম্প একই ধরনের পদক্ষেপ নেবেন কিনা, তা নিয়েই মূল উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হামদি আরও জানান, ইসরাইলিরা তেহরানের সাথে এই ধরনের চুক্তির ঘোর বিরোধী। এমনকি এই চুক্তিকে ব্যর্থ করতে নেতানিয়াহু সরকার সোমবার লেবাননে একটি হামলাও চালিয়েছে। তার আশঙ্কা, ট্রাম্প এবারও চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করে ইসরাইলকে লেবাননে আক্রমণ থেকে বিরত রাখলেও, দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুরো চুক্তিটিই ঝুঁকির মুখে পড়বে।