ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ইরান-ইসরাইল সংঘাত: যুদ্ধের নেপথ্যে অর্থনৈতিক মুনাফা লুটছে কারা?

ইরানে চার মাস ধরে চলা সামরিক উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধ পরিস্থিতি অবসানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হলেও কিছু নির্দিষ্ট খাত এই সংকট থেকে বিশাল অংকের মুনাফা অর্জন করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

যুদ্ধের শুরু থেকেই বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। অস্ত্রের ক্রমবর্ধমান চাহিদা তাদের আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো জ্বালানি সংকটের সুযোগে উচ্চমূল্যে পণ্য বিক্রি করে মুনাফার পাহাড় গড়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে বড় বড় বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে ভালো ব্যবসা করেছে।

সুইজারল্যান্ডে চলমান এই আলোচনা যদি সফল হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাধারণ ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে যুদ্ধের এই চার মাসে নির্দিষ্ট কিছু কর্পোরেট খাতের বিশাল মুনাফা অর্জনের বিষয়টি এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিরোধ’, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক জামায়াত আমিরের

ইরান-ইসরাইল সংঘাত: যুদ্ধের নেপথ্যে অর্থনৈতিক মুনাফা লুটছে কারা?

আপডেট সময় : ০৭:২০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ইরানে চার মাস ধরে চলা সামরিক উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধ পরিস্থিতি অবসানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হলেও কিছু নির্দিষ্ট খাত এই সংকট থেকে বিশাল অংকের মুনাফা অর্জন করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

যুদ্ধের শুরু থেকেই বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। অস্ত্রের ক্রমবর্ধমান চাহিদা তাদের আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো জ্বালানি সংকটের সুযোগে উচ্চমূল্যে পণ্য বিক্রি করে মুনাফার পাহাড় গড়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে বড় বড় বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে ভালো ব্যবসা করেছে।

সুইজারল্যান্ডে চলমান এই আলোচনা যদি সফল হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাধারণ ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে যুদ্ধের এই চার মাসে নির্দিষ্ট কিছু কর্পোরেট খাতের বিশাল মুনাফা অর্জনের বিষয়টি এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।