প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর শেষে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি ১৫ দফা যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) চীনের সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে কৌশলগত সংলাপের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে ‘২+২ সংলাপ’ চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর এই যৌথ ঘোষণা আসে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ানে অনুষ্ঠিত নিউ চ্যাম্পিয়নসের ১৭তম বার্ষিক সভা (সামার দাভোস)-তেও অংশ নেন।
যৌথ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ ও চীন ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক আস্থা সুদৃঢ় করেছে, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করেছে এবং ফলপ্রসূ বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা পরিচালনা করে আসছে। চীন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে এবং নতুন সরকারের কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ মনে করে, চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য নতুন উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
উভয় দেশ বিদ্যমান সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বকে আরও উন্নীত করে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের চীন-বাংলাদেশ সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও, উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা, শাসনব্যবস্থা বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় বৃদ্ধি এবং সরকার, আইনসভা ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারেও উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















