ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা: হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডকে ‘বানোয়াট’ দাবি খেলাফত ছাত্র মজলিসের

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস। সংগঠনটি এই রায়কে ‘বানোয়াট’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আব্দুল আজিজসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে এই মামলাটি সাজানো হয়েছিল। তারা বলেন, একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজন খালাস পেলেও হাফেজ নাঈম আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা চরম বৈষম্যমূলক। তাদের দাবি, কোনো অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই কেবল ১৬৪ ধারার কথিত জবানবন্দির ভিত্তিতে এমন কঠোর সাজা দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

খেলাফত ছাত্র মজলিসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তদন্ত প্রক্রিয়াটি ছিল একপেশে এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল আলেম-ওলামাদের লক্ষ্যবস্তু করা। তারা অবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে এই রায়ের নিরপেক্ষ পর্যালোচনা এবং পুনর্বিচারের দাবি জানান। একইসঙ্গে হাফেজ নাঈমের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা: হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডকে ‘বানোয়াট’ দাবি খেলাফত ছাত্র মজলিসের

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস। সংগঠনটি এই রায়কে ‘বানোয়াট’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আব্দুল আজিজসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে এই মামলাটি সাজানো হয়েছিল। তারা বলেন, একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজন খালাস পেলেও হাফেজ নাঈম আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা চরম বৈষম্যমূলক। তাদের দাবি, কোনো অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই কেবল ১৬৪ ধারার কথিত জবানবন্দির ভিত্তিতে এমন কঠোর সাজা দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

খেলাফত ছাত্র মজলিসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তদন্ত প্রক্রিয়াটি ছিল একপেশে এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল আলেম-ওলামাদের লক্ষ্যবস্তু করা। তারা অবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে এই রায়ের নিরপেক্ষ পর্যালোচনা এবং পুনর্বিচারের দাবি জানান। একইসঙ্গে হাফেজ নাঈমের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনটি।