মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে যে অবস্থান নিয়েছেন, তাকে বাস্তবতাকে আড়াল করে নিজেকেই ফাঁকি দেওয়ার শামিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইরান একটি নতুন চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে আছে, অথচ মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন। তেহরানকে ছাড় দেওয়া এবং বারবার সময়সীমা শিথিল করার মাধ্যমে তিনি মূলত সংকটকে দীর্ঘায়িত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েও কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সুর নরম করেছেন ট্রাম্প। তিনি আলোচনার অগ্রগতির কথা বলে সামরিক পদক্ষেপ থেকে পিছিয়ে আসেন। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনাগ্রহের সুযোগ নিচ্ছে ইরান। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময় এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
ইরানি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকেও ট্রাম্প অনেকটা গুরুত্বহীন হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। একদিকে তিনি কঠোর সামরিক অভিযানের ভয় দেখাচ্ছেন, অন্যদিকে বলছেন যে আমেরিকার জনগণ এই মুহূর্তে কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। এই দ্বিমুখী অবস্থান এবং পূর্বঘোষিত শর্ত শিথিল করার প্রবণতা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















