ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের ধারা অব্যাহত: মিরপুরে ফের অজি বধ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রিকেট যুদ্ধে বাংলাদেশের জয়যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে বাংলাদেশ এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। এই জয়টি স্মরণ করিয়ে দেয় ২০০৫ সালের কার্ডিফের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, যখন মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল টাইগাররা। সেই ঐতিহাসিক জয়ের ২১ বছর পর, বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে মোহাম্মদ আশরাফুলের এক অন্যরকম সংযোগ আবারও সামনে এলো। যদিও এবার তিনি মাঠে খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন না, তবে এ দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে তিনি এই জয়ের অংশীদার।

ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, বাংলাদেশের ব্যাটিং প্রদর্শনী তাদের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা প্রথম দিকে সাইফ হাসানকে দ্রুত ফিরিয়ে দিলেও, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ঘুরে দাঁড়ান। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত অর্ধশতক হাঁকিয়ে দলকে শক্ত ভিত গড়ে দেন। যদিও তারা সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন, কিন্তু ‘সফট ডিসমিসাল’-এর শিকার হয়ে আউট হন। মিডল অর্ডারে লিটন দাসের বিদায়ের পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চার বছর পর ফিরে এসে নিজের জাত চেনান। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের উপর দাপট দেখিয়ে ২৮৪ রানের এক চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই স্কোর তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে ধস নামে, যা বাংলাদেশের জয়ের পথ সুগম করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের ধারা অব্যাহত: মিরপুরে ফের অজি বধ

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রিকেট যুদ্ধে বাংলাদেশের জয়যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে বাংলাদেশ এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। এই জয়টি স্মরণ করিয়ে দেয় ২০০৫ সালের কার্ডিফের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, যখন মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল টাইগাররা। সেই ঐতিহাসিক জয়ের ২১ বছর পর, বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে মোহাম্মদ আশরাফুলের এক অন্যরকম সংযোগ আবারও সামনে এলো। যদিও এবার তিনি মাঠে খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন না, তবে এ দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে তিনি এই জয়ের অংশীদার।

ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়া প্রথম দিকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, বাংলাদেশের ব্যাটিং প্রদর্শনী তাদের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা প্রথম দিকে সাইফ হাসানকে দ্রুত ফিরিয়ে দিলেও, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ঘুরে দাঁড়ান। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত অর্ধশতক হাঁকিয়ে দলকে শক্ত ভিত গড়ে দেন। যদিও তারা সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন, কিন্তু ‘সফট ডিসমিসাল’-এর শিকার হয়ে আউট হন। মিডল অর্ডারে লিটন দাসের বিদায়ের পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চার বছর পর ফিরে এসে নিজের জাত চেনান। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের উপর দাপট দেখিয়ে ২৮৪ রানের এক চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই স্কোর তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে ধস নামে, যা বাংলাদেশের জয়ের পথ সুগম করে।