জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি—এই অভিযোগে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে এই অবস্থান ও পদযাত্রা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে প্রায় ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী অংশ নেন।
পদবঞ্চিত নেতাদের অভিযোগ, কমিটিতে ত্যাগ ও অবদানের চেয়ে ‘মাইম্যান’দের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে তারা যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পাওয়া রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যুবদলই আগামী দিনের বিএনপির মূলধারার নেতৃত্ব দেবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে বিএনপি আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।’
ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমরা রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। অন্যদের তুলনায় আমাদের ত্যাগ কোনো অংশে কম নয়। কিন্তু কমিটিতে আমাদের স্থান না দিয়ে অবিচার করা হয়েছে। আমরা হাইকমান্ডের কাছে সুবিচার চাই।’
আন্দোলনরত নেতারা জানিয়েছেন, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক পদায়নের দাবিতে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুবদলের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি। এর পূর্বে ২০২৪ সালের ৯ জুলাই আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















