বাংলাদেশে মবতন্ত্র এবং উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণি রাজনীতির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, কেবল চতুর কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী হওয়া যায় না। মব সন্ত্রাস করে পদ বা অবস্থান দখলের চেষ্টা করলে জনগণ তা ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। তিনি রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মনোনিবেশ করা এবং বেফাঁস বক্তব্য ও মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়। মোনায়েম মুন্না আরও জানান যে, প্রত্যেক কর্মীর রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং পূর্ববর্তী কমিটির প্রায় ১১৪ জন সদস্যকে নতুন কমিটিতে রাখা হয়েছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ১০০ জন সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে, যাতে কেউ হতাশ না হন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কমিটিতে স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়র দেখে নয়, বরং আন্দোলন-সংগ্রামে প্রত্যেকের অবদান বিবেচনা করা হয়েছে।
সভায় তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন সময় অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক নেতাকে বহিষ্কার, কমিটি বিলুপ্ত বা শোকজ করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে। দলের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যদিও এসব নেতাকর্মীর অনেকেই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 



















