পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দাবি করেছেন যে, বাংলাদেশের ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা জড়িত এবং কার নির্দেশে এটি সংঘটিত হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। তিনি আরও জানান যে, অভিযুক্ত খুনিরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তাদের গ্রেপ্তার করেছিল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে ফোন করে বিষয়টি গোপন রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে’ তিনি ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করছেন না, তবে তিনি সত্যের ভান্ডার এবং অত্যাচার চরম সীমায় পৌঁছে গেলে মুখ খুলতে বাধ্য হন।
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই পুলিশ প্রশাসন পরিচালিত হয় এবং তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও নিজের হাতে রাখেন। এই প্রেক্ষাপটে, রাজ্যের পুলিশের তদন্তাধীন কোনো ঘটনা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















