খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (কু’আ) উদ্যোগে সম্প্রতি ‘প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ফর জেনারেটিভ এআই’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী একটি অনলাইন কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৫ ও ৬ জুন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে আয়োজিত এই কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
কু’আর কার্যনির্বাহী সদস্য মাহামুদুল হাসান মিল্লাতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে কানাডার কার্লটন ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক মোহাম্মদ বাছির (কৌশিক)।
দুই দিনের এই আয়োজনে বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহারের কৌশল এবং কার্যকর প্রম্পট তৈরির বিভিন্ন পদ্ধতি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। এছাড়াও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কৌশল এবং গবেষণা ও পেশাগত ক্ষেত্রে জেনারেটিভ এআইয়ের প্রায়োগিক দিকসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালা সম্পর্কে মাহামুদুল হাসান মিল্লাত বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সব সময়ই শিক্ষার্থীদের সমসাময়িক ও যুগোপযোগী দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে বদ্ধপরিকর। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের দৈনন্দিন ও পেশাগত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে পারদর্শী করে তোলা, যাতে তারা অ্যাকাডেমিক গবেষণা ও বৈশ্বিক জব মার্কেটে নিজেদের এক ধাপ এগিয়ে রাখতে পারেন। আগামীতেও কু’আর পক্ষ থেকে এমন ক্যারিয়ারমুখী ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
প্রশিক্ষক মোহাম্মদ বাছির (কৌশিক) বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের অন্যতম চালিকাশক্তি। এআইকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়, বরং সঠিক নির্দেশনা বা প্রম্পট তৈরির দক্ষতাও অর্জন করতে হবে। গবেষণা, শিক্ষা এবং পেশাগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেনারেটিভ এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে এ প্রযুক্তি মানুষের কাজকে আরও দ্রুত, দক্ষ ও সৃজনশীল করে তুলতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























