ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ড প্রতিটি অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে। বুধবার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ডিসি ফরিদা খানম বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম দূরদর্শী অঙ্গীকার হলো— “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।” এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, আজকের এই তৃতীয় পর্যায়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলার দুটি ইউনিয়নের মোট ১,২৭৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এটি কেবল একটি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নয়, বরং এটি সামাজিক সুরক্ষা, মানবিক মর্যাদা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের এক নতুন যাত্রা।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড এই বিচ্ছিন্ন সেবাগুলোকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার ভিত্তি তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা আর কেবল অনুদানভিত্তিক ব্যবস্থা নয়, বরং নাগরিকের ন্যায্য অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যতে এই ফ্যামিলি কার্ড একটি সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্র হিসেবে গড়ে উঠবে, যার মাধ্যমে একজন নাগরিক বিভিন্ন সামাজিক সেবা ও সরকারি সহায়তা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।
ফরিদা খানম প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার দরিদ্র মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কার্ডধারীরা যেন খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের সুবিধা আরও সহজে গ্রহণ করতে পারেন— সেই বিষয়ে জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 























