ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বেবিচকের নিজস্ব তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। ২০০১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে যোগ দিলেও তার বাবার নাম গেজেটভুক্ত তালিকায় না থাকায় সনদের বৈধতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শরিফুলের জমা দেওয়া সনদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে অসংগতি পাওয়া গেছে। এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তি সত্ত্বেও পদোন্নতি পাওয়া এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্ত প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রিপোর্টারের নাম 
























