বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ‘ফোর্সড লেবার’ বা জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ তোলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয় (ইউএসটিআর) দাবি করেছে যে, শ্রমিকদের জোর করে কাজ করানো বন্ধে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে এই অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে দেশের শিল্প মালিক ও বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সংজ্ঞা অনুযায়ী, ভয়ভীতি, শাস্তির হুমকি বা পরিচয়পত্র আটকে রেখে কাউকে কাজ করতে বাধ্য করাই হলো জোরপূর্বক শ্রম। বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। যদিও এই খাতে মজুরি, কর্মঘণ্টা বা শ্রমিক সংগঠনের সীমাবদ্ধতার মতো কিছু সমস্যা বিদ্যমান, তবুও একে ‘আধুনিক দাসত্ব’ বা ‘জোরপূর্বক শ্রম’-এর সাথে তুলনা করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ-এর পক্ষ থেকেও এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অভিযোগ বৈশ্বিক বাণিজ্য রাজনীতির একটি অংশ হতে পারে। তারা আরও বলেন, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষায় গত এক দশকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত।
রিপোর্টারের নাম 
























