ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মী হত্যা: জামায়াত নেতার বাড়িসহ ১২ বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এক বিএনপি কর্মীর মৃত্যুর জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেলে নিহত রানা মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে আনার পরপরই একদল ক্ষুব্ধ মানুষ স্থানীয় জামায়াত নেতার বাড়িসহ অন্তত ১২টি বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় একটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে, তবে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টারের নেতৃত্বে হামলার ঘটনায় রানা মিয়াসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রানা মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে মফিদুল ইসলাম মাস্টারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ জামায়াত নেতার ছেলেসহ চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাতীয় নির্বাচনের সময় থেকেই বিএনপির সমর্থক রানা মিয়ার সঙ্গে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলামের রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল, যা পরবর্তীতে সহিংসতায় রূপ নেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক সেবনে যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মী হত্যা: জামায়াত নেতার বাড়িসহ ১২ বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ময়মনসিংহের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এক বিএনপি কর্মীর মৃত্যুর জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেলে নিহত রানা মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে আনার পরপরই একদল ক্ষুব্ধ মানুষ স্থানীয় জামায়াত নেতার বাড়িসহ অন্তত ১২টি বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় একটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে, তবে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টারের নেতৃত্বে হামলার ঘটনায় রানা মিয়াসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রানা মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে মফিদুল ইসলাম মাস্টারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ জামায়াত নেতার ছেলেসহ চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাতীয় নির্বাচনের সময় থেকেই বিএনপির সমর্থক রানা মিয়ার সঙ্গে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলামের রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল, যা পরবর্তীতে সহিংসতায় রূপ নেয়।