ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় নতুন উচ্চতায় চীনের ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র

বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত ট্রান্সমিশন ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ (টিইএম) উদ্ভাবন করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। তালিয়ান রাসায়নিক পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং শেনইয়াং ইনস্টিটিউট অব অটোমেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ে প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের পর বিশেষজ্ঞরা একে বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় এআই-চালিত ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

গবেষকদের দাবি, এই যন্ত্রটি তৈরিতে পাঁচটি জটিল প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে, যার মধ্যে ন্যানোস্তরে নির্ভুল অবস্থান নির্ধারণ, স্বয়ংক্রিয় চিত্র গ্রহণ এবং বুদ্ধিমান সময়সূচি ব্যবস্থাপনা অন্যতম। গবেষণাদলের প্রধান অধ্যাপক তং তেহুই জানান, এই সিস্টেমটি কোনো মানুষের সহায়তা ছাড়াই নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে তথ্য বিশ্লেষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। এর কার্যক্ষমতা সাধারণ পদ্ধতির তুলনায় ৩০০ গুণ বেশি দ্রুত।

পরীক্ষামূলক ফলাফলে দেখা গেছে, এই যন্ত্রটি প্রতিদিন গড়ে ১৬৮টি নমুনা বিশ্লেষণ ও চার হাজারের বেশি ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এটি যে পরিমাণ তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারে, তা প্রচলিত ব্যবস্থায় সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগত। বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্রযুক্তির প্রয়োগ জিনোমিক্স, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জীবনবিজ্ঞানের গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিলামে উঠছে পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় নতুন উচ্চতায় চীনের ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত ট্রান্সমিশন ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ (টিইএম) উদ্ভাবন করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। তালিয়ান রাসায়নিক পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং শেনইয়াং ইনস্টিটিউট অব অটোমেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ে প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের পর বিশেষজ্ঞরা একে বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় এআই-চালিত ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

গবেষকদের দাবি, এই যন্ত্রটি তৈরিতে পাঁচটি জটিল প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে, যার মধ্যে ন্যানোস্তরে নির্ভুল অবস্থান নির্ধারণ, স্বয়ংক্রিয় চিত্র গ্রহণ এবং বুদ্ধিমান সময়সূচি ব্যবস্থাপনা অন্যতম। গবেষণাদলের প্রধান অধ্যাপক তং তেহুই জানান, এই সিস্টেমটি কোনো মানুষের সহায়তা ছাড়াই নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে তথ্য বিশ্লেষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। এর কার্যক্ষমতা সাধারণ পদ্ধতির তুলনায় ৩০০ গুণ বেশি দ্রুত।

পরীক্ষামূলক ফলাফলে দেখা গেছে, এই যন্ত্রটি প্রতিদিন গড়ে ১৬৮টি নমুনা বিশ্লেষণ ও চার হাজারের বেশি ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এটি যে পরিমাণ তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারে, তা প্রচলিত ব্যবস্থায় সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগত। বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্রযুক্তির প্রয়োগ জিনোমিক্স, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জীবনবিজ্ঞানের গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।