ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ঋণখেলাপি বিতর্ক নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাখ্যা

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের ঋণখেলাপি হওয়ার অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে কোনো ঋণখেলাপি নন। মূলত তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া ঋণ খেলাপি হয়েছে, যা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত ঋণ এবং তার স্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের ঋণকে এক করে দেখার সুযোগ নেই।

পাশাপাশি, খুরশীদ আলমের চাকরি জীবনের অতীতের একটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েও জনমনে যে প্রশ্ন উঠেছে, তারও জবাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মুখপাত্র জানান, রংপুর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি পরবর্তীতে পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, তৎকালীন সময়ে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেই ত্রুটিপূর্ণ শাস্তির বিষয়টি পরবর্তী সময়ে সংশোধন করা হয়েছে এবং তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতেই নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমান নিয়োগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরা হলো না পরিবারের, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ঋণখেলাপি বিতর্ক নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ০৪:২২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের ঋণখেলাপি হওয়ার অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে কোনো ঋণখেলাপি নন। মূলত তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া ঋণ খেলাপি হয়েছে, যা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত ঋণ এবং তার স্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের ঋণকে এক করে দেখার সুযোগ নেই।

পাশাপাশি, খুরশীদ আলমের চাকরি জীবনের অতীতের একটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েও জনমনে যে প্রশ্ন উঠেছে, তারও জবাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মুখপাত্র জানান, রংপুর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি পরবর্তীতে পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, তৎকালীন সময়ে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেই ত্রুটিপূর্ণ শাস্তির বিষয়টি পরবর্তী সময়ে সংশোধন করা হয়েছে এবং তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতেই নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমান নিয়োগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।