মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির ব্যস্ততা, ব্যতিক্রমী উদযাপনের রেওয়াজ

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কার্যক্রম চলেছে। মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রামপুরা, শান্তিনগর, উত্তরা এবং পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজ দেখা গেছে। অনেক পরিবার পারিবারিক ঐতিহ্য রক্ষা, কসাই সংকট এড়ানো অথবা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঈদের প্রথম দিনের পরিবর্তে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করার রেওয়াজ অনুসরণ করছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বিহারি ক্যাম্প এলাকায় সকাল থেকেই বিভিন্ন বাসা ও গলিতে পশু কোরবানির প্রস্তুতি চলছিল। প্রথম দিনের তুলনায় চাপ কিছুটা কম থাকায় কসাইরা স্বস্তিতে কাজ করতে পেরেছেন।

রামপুরা উলনের বাসিন্দা কাজী সোহাগ জানান, তাদের পরিবার সবসময় ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করে। এটি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। তার মতে, প্রথম দিন ভালো কসাই পাওয়া কঠিন এবং ভিড় বেশি থাকে, ফলে সবাই ঠিকমতো মাংস পায় না। দ্বিতীয় দিনে ধীরে-সুস্থে কাজ করা যায় এবং সবকিছু আরাম করে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

মিরপুরের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনও একই ধরনের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ঈদের দিন ভালো কসাই পাওয়া বেশ কঠিন, তাই তারা পরদিন কোরবানি করেন। এতে মাংস কাটা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সহজ হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই প্রথম দিনের অতিরিক্ত ব্যস্ততা এড়াতে দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে কোরবানি করেন। এতে কসাই সংকট কম থাকে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

Szerencsés pillanatok és izgalmas nyerési esélyek a https://the-nv-casinos-hungary.com oldalon várunk rád

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির ব্যস্ততা, ব্যতিক্রমী উদযাপনের রেওয়াজ

আপডেট সময় : ০২:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কার্যক্রম চলেছে। মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রামপুরা, শান্তিনগর, উত্তরা এবং পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজ দেখা গেছে। অনেক পরিবার পারিবারিক ঐতিহ্য রক্ষা, কসাই সংকট এড়ানো অথবা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঈদের প্রথম দিনের পরিবর্তে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করার রেওয়াজ অনুসরণ করছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বিহারি ক্যাম্প এলাকায় সকাল থেকেই বিভিন্ন বাসা ও গলিতে পশু কোরবানির প্রস্তুতি চলছিল। প্রথম দিনের তুলনায় চাপ কিছুটা কম থাকায় কসাইরা স্বস্তিতে কাজ করতে পেরেছেন।

রামপুরা উলনের বাসিন্দা কাজী সোহাগ জানান, তাদের পরিবার সবসময় ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করে। এটি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। তার মতে, প্রথম দিন ভালো কসাই পাওয়া কঠিন এবং ভিড় বেশি থাকে, ফলে সবাই ঠিকমতো মাংস পায় না। দ্বিতীয় দিনে ধীরে-সুস্থে কাজ করা যায় এবং সবকিছু আরাম করে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

মিরপুরের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনও একই ধরনের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ঈদের দিন ভালো কসাই পাওয়া বেশ কঠিন, তাই তারা পরদিন কোরবানি করেন। এতে মাংস কাটা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সহজ হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই প্রথম দিনের অতিরিক্ত ব্যস্ততা এড়াতে দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে কোরবানি করেন। এতে কসাই সংকট কম থাকে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।