ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি আর নিরাপদ নয়, ইসরায়েলকে ‘ক্যানসারাক্রান্ত টিউমার’ বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি এবং ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। পবিত্র হজ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ডগুলো আর মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে না।

ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ভঙ্গুর জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী এবং ইসরায়েল নামক ক্যান্সারাক্রান্ত টিউমারটি তাদের দুর্ভাগ্যজনক জীবনকালের শেষ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তিনি আরও বলেন, অন্যায়-অপকর্ম এবং এই অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকার আর কোনও নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না।

এই সময় তিনি ইরানের ‘সাহসী যোদ্ধা এবং আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনী’র ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মতে, এই বাহিনী ‘মহান শয়তান অর্থাৎ আমেরিকা এবং তার দ্বারা লালিত পশু, জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর’ ওপর আঘাত হেনেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এবারের হজে আরাফাতের ময়দানের আচার-অনুষ্ঠানগুলোর গুরুত্ব দ্বিগুণ। কারণ, হজের এই মৌসুমে এবং নির্ধারিত স্থানে আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে ‘অস্বীকার বা বর্জনের’ গভীরতা ও ব্যাপকতা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।

হজ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এই বরকতময় দিনগুলোর পর, ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ এবং ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ এটিই হবে মুসলিম উম্মাহর প্রধান ও প্রচলিত স্লোগান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটালীপাড়ায় সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং, ভিডিও ভাইরাল

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি আর নিরাপদ নয়, ইসরায়েলকে ‘ক্যানসারাক্রান্ত টিউমার’ বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি এবং ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। পবিত্র হজ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ডগুলো আর মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে না।

ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ভঙ্গুর জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী এবং ইসরায়েল নামক ক্যান্সারাক্রান্ত টিউমারটি তাদের দুর্ভাগ্যজনক জীবনকালের শেষ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তিনি আরও বলেন, অন্যায়-অপকর্ম এবং এই অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকার আর কোনও নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না।

এই সময় তিনি ইরানের ‘সাহসী যোদ্ধা এবং আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনী’র ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মতে, এই বাহিনী ‘মহান শয়তান অর্থাৎ আমেরিকা এবং তার দ্বারা লালিত পশু, জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর’ ওপর আঘাত হেনেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এবারের হজে আরাফাতের ময়দানের আচার-অনুষ্ঠানগুলোর গুরুত্ব দ্বিগুণ। কারণ, হজের এই মৌসুমে এবং নির্ধারিত স্থানে আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে ‘অস্বীকার বা বর্জনের’ গভীরতা ও ব্যাপকতা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।

হজ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এই বরকতময় দিনগুলোর পর, ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ এবং ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ এটিই হবে মুসলিম উম্মাহর প্রধান ও প্রচলিত স্লোগান।