ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: শান্তি আলোচনা সত্ত্বেও উত্তেজনা

শান্তি আলোচনা চলমান থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। নিজেদের বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে এই ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালানো হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে।

সেন্টকমের মুখপাত্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক বিবৃতিতে জানান, হামলার লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং মাইন পেতে চেষ্টা করা ইরানি নৌযান। তবে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে একটি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সমুদ্রে একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছিল এবং এতে আইআরজিসির কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে হামলার ঘটনা দেশ দুটির মধ্যেকার আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও, বড় ধরনের সমঝোতা ছাড়া কোনো চুক্তিতে যাবেন না তিনি।

এদিকে, কাতারের রাজধানী দোহায় ইরানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছেছে। সেখানে তারা স্থায়ী শান্তিচুক্তির পথে থাকা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করবে। প্রতিনিধিদলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পার্লামেন্ট স্পিকারও রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটালীপাড়ায় সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং, ভিডিও ভাইরাল

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: শান্তি আলোচনা সত্ত্বেও উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১১:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

শান্তি আলোচনা চলমান থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। নিজেদের বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে এই ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালানো হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে।

সেন্টকমের মুখপাত্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এক বিবৃতিতে জানান, হামলার লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং মাইন পেতে চেষ্টা করা ইরানি নৌযান। তবে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে একটি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সমুদ্রে একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছিল এবং এতে আইআরজিসির কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে হামলার ঘটনা দেশ দুটির মধ্যেকার আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও, বড় ধরনের সমঝোতা ছাড়া কোনো চুক্তিতে যাবেন না তিনি।

এদিকে, কাতারের রাজধানী দোহায় ইরানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছেছে। সেখানে তারা স্থায়ী শান্তিচুক্তির পথে থাকা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করবে। প্রতিনিধিদলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পার্লামেন্ট স্পিকারও রয়েছেন।