ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

হাতিরঝিলের স্পিডব্রেকার এখন চালকদের জন্য মরণফাঁদ

রাজধানীর যানজট এড়ানোর অন্যতম প্রধান পথ হাতিরঝিল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য। তবে, বর্তমানে হাতিরঝিলের রাস্তাগুলো চালকদের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে হাতিরঝিলের বিভিন্ন স্পিডব্রেকারে কোনও দৃশ্যমান চিহ্ন বা রং না থাকায় চালকদের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রায়ই ঘটছে মারাত্মক দুর্ঘটনা। সম্প্রতি এমনই একটি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার ডিজিটালের চিফ রিপোর্টার রাশিদুল হাসান। রবিবার দুপুরে হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল চালানোর সময় একটি স্পিডব্রেকারের পাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, স্পিডব্রেকারগুলোতে সাদা রং না থাকায় রাতে বা বৃষ্টির সময় তা দেখা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। দিনের বেলায়ও দূর থেকে বোঝা দুষ্কর। সরেজমিনে দেখা গেছে, স্পিডব্রেকারগুলো এতটাই অস্পষ্ট যে দ্রুতগতির যানবাহন হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। এই বিষয়ে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ব্যস্ত এই সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত স্পিডব্রেকারগুলোতে নতুন করে রং করা, প্রতিফলক বসানো এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা: বাবর-আরিফ-গউছ খালাস, একজনের মৃত্যুদণ্ড

হাতিরঝিলের স্পিডব্রেকার এখন চালকদের জন্য মরণফাঁদ

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর যানজট এড়ানোর অন্যতম প্রধান পথ হাতিরঝিল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য। তবে, বর্তমানে হাতিরঝিলের রাস্তাগুলো চালকদের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে হাতিরঝিলের বিভিন্ন স্পিডব্রেকারে কোনও দৃশ্যমান চিহ্ন বা রং না থাকায় চালকদের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রায়ই ঘটছে মারাত্মক দুর্ঘটনা। সম্প্রতি এমনই একটি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার ডিজিটালের চিফ রিপোর্টার রাশিদুল হাসান। রবিবার দুপুরে হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল চালানোর সময় একটি স্পিডব্রেকারের পাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, স্পিডব্রেকারগুলোতে সাদা রং না থাকায় রাতে বা বৃষ্টির সময় তা দেখা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। দিনের বেলায়ও দূর থেকে বোঝা দুষ্কর। সরেজমিনে দেখা গেছে, স্পিডব্রেকারগুলো এতটাই অস্পষ্ট যে দ্রুতগতির যানবাহন হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। এই বিষয়ে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ব্যস্ত এই সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত স্পিডব্রেকারগুলোতে নতুন করে রং করা, প্রতিফলক বসানো এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।